নেপালের নতুন অন্তবর্তী সরকারের মন্ত্রিসভা কেমন হবে, তা নিয়ে তরুণ প্রজন্মের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি। রোববার সকালে নতুন কার্যালয়ে কাজ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে মন্ত্রিসভা গঠনের প্রক্রিয়াও শুরু করেছেন তিনি। ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও জেন-জি আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ শুরু করেছেন। তবে আলোচনার শুরুতেই আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তারা সরকারে যাবেন না।
সুশীলা কার্কির এক সহযোগী দ্য কাঠমান্ডু পোস্টকে জানিয়েছেন, দ্রুত পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠনে রোববার সকাল থেকে আলোচনা শুরু করেছেন। তার এই সহযোগীর মতে, বিভিন্ন মহলের পরামর্শ মেনে সুশিলা কার্কি ১৫ জনের মন্ত্রিসভা গঠন করতে পারেন। তিনি বড় মন্ত্রিসভা গঠনে আগ্রহী নন।
জেন জি আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠন ‘হামি নেপাল’ এখন মূল রাজনৈতিক আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছে। তবে, সংগঠনটির নেতা সুদান গুরুংসহ অন্যরা সরকারে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। সুদান জানান, তারা সরকারের বাইরে থেকে সমর্থন দিয়ে যাবেন। ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ জানানোই হবে তাদের উদ্দেশ্য।

দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর কার্কি আপাতত ২৫টি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়েছেন। যদিও তার কাছে ২৫ জন মন্ত্রী নিয়োগের সুযোগ আছে, তবুও তিনি আগের প্রধানমন্ত্রীরা যেসব ভুল করেছেন, তার পুনরাবৃত্তি করতে চান না।
কার্কির সহযোগীর ভাষ্য, তাই তিনি ১৫ জনের কম সদস্য নিয়ে ছোট একটি মন্ত্রিসভা গঠনের চিন্তা করছেন। মন্ত্রী হিসেবে ইতোমধ্যে কয়েকটি নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আন্দোলনের একটি মূল গ্রুপের সঙ্গে পরামর্শের পর।
শোনা যাচ্ছে, আইনজীবী ওম প্রকাশ আর্যল, বালানন্দ শর্মা, আনন্দ মোহন ভট্টরাই, মাধব সুন্দর খাডকা, আশীম মান সিং ও কুলমান ঘিসিংয়ের নাম আলোচনায় রয়েছে। চিকিৎসা খাত থেকেও কয়েকজনের নাম বিবেচনায় আছে, ডা. ভগবান কৈরালা, ডা. সান্দুক রুইট, ডা. জগদীশ আগরওয়াল ও ডা. পুকার চন্দ্র শ্রেষ্ঠ।
'হামি নেপাল' এখন মূল রাজনৈতিক আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছে। তবে সংগঠনটির নেতা সুদান গুরুংসহ অন্যরা সরকারে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তবে তারা নিজেদের মধ্যে পরামর্শ চালাচ্ছেন মন্ত্রী নির্বাচনের জন্য। এমনকি ডিসকর্ডের মতো সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্মেও আলোচনা চলছে।
