প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর পর, প্রথম নারী অ্যাটর্নি জেনারেলও পেলো নেপাল। জেন জি বিক্ষোভের মুখে ওলি সরকারের পতনের পরপরই অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ ছেড়েছিলেন রমেশ বাদল। তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে রোববরাই নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসাবে সবি তা ভান্ডারিকে নিয়োগ দিয়েছেন নেপালের প্রেসিডেন্ট।
নেপালের সিনিয়র আইনজীবী সবিতা ভান্ডারিই হলেন দেশটির প্রথম নারী, যিনি রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন। সবিতার নিয়োগ চূড়ান্ত করার পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেল প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল রমেশ বাদলের পদত্যাগপত্র অনুমোদনের বিষয়িও আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করে।
নেপালি দৈনিক দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের এক প্রতিবেদনে প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের সূত্রে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির সুপারিশেই ভান্ডারির নিয়োগ করা হয়েছে। নেপালের জাতীয় তথ্য কমিশনে, কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সবিতা ভান্ডারি আইনবিদ কৃষ্ণ প্রসাদ ভান্ডারির কন্যা।

প্রধানমন্ত্রী কার্কি রোববার সকালে সকালে ভান্ডারিকে এই পদের জন্য প্রস্তাব করেন এবং তা গ্রহণের পর, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। দুর্নীতিরোধী আন্দোলনে ওলি সরকার পতনের পর, নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্বন নেয়ার পর সুশীলা কার্কি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিতে শুরু করেছেন।
এর আগে, নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর শপথ নিয়ে দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ইতিহাস গড়লেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। শুক্রবার নেপালের রাষ্ট্রপতি ভবনে স্থানীয় সময় রাত সেয়া ৯টায় তিনি শপথ নেন। তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌডেল।
৭২ বছর বয়সী সুশীলা কার্কি নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি ছিলেন। ২০১৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত এ পদে ছিলেন তিনি। সেটিও ছিলো ইতিহাস। এখন আরও এক ইতিহাসের সাক্ষী হল হিমালয়ের দেশ নেপাল। দেশটির তরুণ প্রজন্মের কাছে সুশীলা কার্কির জনপ্রিয়তা আছে।
