ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে অতি ভারী বর্ষণে আবারও প্রায় অচল হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম মহানগরীতে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে বন্দরনগরীর বাসিন্দারা। ২০৫ মিলিমিটার বৃষ্টিতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে নগরবাসী।
ঝড়ো হাওয়ার প্রভাব তেমন না পড়লেও চট্টগ্রামে বৃষ্টি শুরু হয় ভোররাত থেকে। দুপুর গড়াতেই বিভিন্ন জায়গায় কোমর সমান পানি জমে যায়। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও অলিগলি চলে পানির নিচে। ঘর থেকে বের হয়ে বিপাকে সাধারণ মানুষ।
রোববার সন্ধ্যায় ১২০ কিলোমিটার বেগে সুন্দরবন দিয়ে উপকূলে আঘাত হানে রিমাল। জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয় সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলাসহ কয়েকটি জেলার বিভিন্ন এলাকা।
বৃষ্টিপাত ঝুরিয়ে ঘূর্ণিঝড় রিমাল স্থল নিম্নচাপে পরিণত হলেও সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চট্টগ্রামে বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এর সঙ্গে প্রবল জোয়ারের পানি নদীতে ঢুকে জলাবদ্ধতা আরও বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা।

জলাবদ্ধতায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে অফিসগামী মানুষ। তারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে রাস্তায় যানবাহন কম। এ সুযোগে বাড়তি ভাড়া নিচ্ছে রাস্তায় চলা অল্প সংখ্যক যানবাহন।
এদিকে জলাবদ্ধতার কারণে শুলকবহর, চকবাজারসহ বিভিন্ন নীচু এলাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে ১৪ হাজার কোটি টাকায় চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সিটি করপোরেশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড।
২০২০ সালে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলো বলছে, পুরোপুরি শেষ হতে সময় লাগবে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত।
রিমাল: ১৯ উপজেলার নির্বাচন স্থগিত
কয়রা, দাকোপে ভেসে গেছে শতাধিক ঘেরের মাছ 