চারদিনের যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় দিনে ফিলিস্তিনের উত্তর গাজায় প্রবেশ করেছে আরও ৬১টি ত্রাণবাহী ট্রাক। পাশাপাশি চিকিৎসা সরঞ্জাম, খাদ্য ও পানি নিয়ে আরও দুইশ' ট্রাক ইসরাইলের নিতজানা থেকে গাজার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।
জাতিসংঘের মানবিক-বিষয়ক সমন্বয় কার্যালয় (ওসিএইচএ) স্থানীয় সময় শনিবার রাতে এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে।
ওসিএইচএ জানায়, আহতদের সরিয়ে নিতে গাজার উত্তরাঞ্চলের আল-শিফা হাসপাতালে ১১টি অ্যাম্বুলেন্স, তিনটি কোচ ও একটি ফ্ল্যাটবেড পাঠানো হয়েছে।
সম্প্রতি এ হাসপাতালে সরাসরি অভিযান চালায় ইসরাইলি বাহিনী। এখানে ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের তুমুল লড়াই হয়েছিল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি যত দীর্ঘ হবে, মানবিক সংস্থাগুলো তত বেশি গাজায় সহায়তা পাঠাতে সক্ষম হবে।
দেড় মাসের বেশি সময় ধরে ইসরাইলের নির্বিচার হামলার পর গত শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল সাতটায় গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। জিম্মি ও বন্দি বিনিময়ের শর্তে চারদিনের এ যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে কাতার, মিশর ও যুক্তরাষ্ট্র।
যুদ্ধবিরতিতে মোট ৫০ জিম্মিকে মুক্তি দেয়ার কথা জানিয়েছে হামাস। বিনিময়ে ১৫০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে ইসরাইল। এছাড়া গাজায় আরও মানবিক সহায়তার সুযোগ দেয়া হবে।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, শুক্রবার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর মোট ১৩৭টি ট্রাক গাজায় ত্রাণসহায়তা সরবরাহ করেছে।
এর আগে গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলে এই দশকের অবচেয়ে বড় অভিযান চালায় হামাস সরকার। জবাবে গাজাকে অবরুদ্ধ করে নির্বিচার বোমা হামলা চালিয়ে আসছিল ইসরাইল। হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। হতাহতদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক এবং শিশু।
দ্বিতীয় দফায় আরও ৩৯ ফিলিস্তিনির মুক্তি
পশ্চিম তীরে এখনও হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল