যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরও গাজায় অবিরাম বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। ১০ অক্টোবরের পর থেকে এখন পর্যন্ত ১০০ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনারা। এর মধ্যেও আরো এক ইসরাইলি জিম্মির মরদেহ ফেরত দিয়েছে হামাস।
এদিকে, আবারো ইসরাইল সফরে যাচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। আর তার সাথে আলোচনার জন্য অপেক্ষায় নেতানিয়াহু। এসব কিছুর মধ্যে আশার আলো জ্বালিয়েছে রাফা সীমান্ত দিয়ে গাজায় ঢোকা ত্রাণবহর।
গাজায় যুদ্ধবিরতির মধ্যেও থেমে নেই ইসরাইলের হামলা। ১০ই অক্টোবরের পর থেকে এ পর্যন্ত ১০০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইল। আর হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে শুধু রবিবারই গাজায় ১৫৩ টন বোমা ছুড়েছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী।
এদিকে, তেল আবিবের ফরেনসিক বিভাগে পৌঁছেছে আরো এক ইসরাইলি জিম্মির মরদেহ। এ নিয়ে ১৪ জন জিম্মির মরদেহ ফেরত পাঠালো হামাস। তবে এরমধ্যে একজনের মরদেহ জিম্মির ছিলো না।
অন্যদিকে, কমপক্ষে ১৩৫ জন ফিলিস্তিনির মরদেহ ইসরাইল থেকে ফেরত এসেছে গাজায়। প্রত্যেকটি মরদেহের ব্যাগের ভেতরে পাওয়া নথিতে উল্লেখ ছিল আটক কেন্দ্রের নাম। কেন্দ্রটি নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত এবং এর বিরুদ্ধে নির্যাতন ও বন্দিদের হত্যার অভিযোগ রয়েছে।
গাজায় যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি কার্যকরের জন্য ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সাথে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। আর এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই ট্রাম্পের পক্ষ হয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসরাইল সফরে গেছেন।
আগেই ইসরাইলি পার্লামেন্ট নেসেটে দেয়া ভাষণে নেতানিয়াহু জানান, অধীর আগ্রহে ভ্যান্সের জন্য অপেক্ষা করছেন তিনি। মূলত দুটি বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করতে চান বলেও জানান নেতানিয়াহু।
তিনি বলেন, মূলত দুটি বিষয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হবে। প্রথমত, নিরাপত্তার যে হুমকির মুখোমুখি আমরা হচ্ছি। আর দ্বিতীয়ত, যেসব রাজনৈতিক সুবিধা আমরা পাচ্ছি। চ্যালেঞ্জগুলো আমরা মোকাবেলা করবো। আর সুযোগগুলোকে কাজে লাগাবো আমরা।
এদিকে গাজায় ত্রাণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের মুখপাত্র স্তেফান দুজারিক। তিনি বলেন, সপ্তাহ জুড়েই কারেম শালোম এলাকা থেকে আমরা ত্রাণ সংগ্রহ করবো। এর মধ্যে আছে, খাবার, পানি, ওষুধ ও জ্বালানি। প্রথমবারের মত কিসুফিম ক্রসিংয়ে নজরদারির জন্য জাতিসংঘকে অনুমতি দিয়েছে ইসরাইল। বিষয়টি অবশ্যই ইতিবাচক।
অন্যদিকে, মিশরের রাফা ক্রসিং দিয়ে গাজায় ঢুকতে শুরু করেছে ত্রাণবহর। যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণেই মূলত ত্রাণ ঢুকতে পারছে গাজায়।
রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক উপায় নিয়ে সন্দিহান ইউক্রেনবাসী