ইসরাইলের নির্দেশের পর গাজার ইন্দোনেশীয় হাসপাতালটি পুরো খালি করা হয়েছে বলে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় হাসপাতালটির প্রতিষ্ঠাতা সংস্থা জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশীয় দাতব্য সংস্থা মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি রেসকিউ কমিটি (এমইআর-সি) জানিয়েছে, হাসপাতালের স্বেচ্ছাসেবীদের রাফাহতে স্থানান্তর করা হয়েছে। খবর আল-জাজিরা’র।
এমইআর-সি’র প্রধান সারবিনি আবদুল মুরাদ বলেছেন, ইন্দোনেশীয় হাসপাতাল এখন খালি। স্বেচ্ছাসেবকদের রাফাহতে ইউরোপীয় হাসপাতালের কাছে একটি স্কুলে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, হাসপাতালের ভেতরে থাকা গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ডা. মুনির আল বরশ বলেছিলেন, চার ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতাল খালি করার জন্য সতর্কবার্তা দিয়েছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। তারা হাসপাতালে সামরিক অভিযান পরিচালনা করতে চায়।
সারবিনি আবদুল মুরাদ বলেছেন, চিকিৎসকদের ইউরোপীয় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। একটি স্কুলে আশ্রয় নেওয়া কয়েক হাজার মানুষের সঙ্গে অবস্থান করছেন স্বেচ্ছাসেবীরা।
ডা. মুনির আল বরশ জানিয়েছিলেন, বুধবার হাসপাতালে ৪৫০ জন রোগী ছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার রোগীর সংখ্যা ২০০ জনে নেমে এসেছিল। সেখানে ৬৫টি মরদেহ রয়ে গেছে, যেগুলো দাফন করা যায়নি। এগুলোর মধ্যে ৫০টি মরদেহ হাসপাতালের বাগানে দশদিন ধরে পড়ে আছে।
আল-শিফার পরিচালক ও জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকদের ধরে নিয়ে গেছে ইসরাইল