দখলদার ইসরাইলের কাছে অস্ত্র বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে চাপের মুখে পড়েছে ফরাসি সরকার। দেশটির বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো এবং সমাজকর্মীরা ইসরাইলের কাছে অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে মাক্রোঁ সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
ফরাসি সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স২৪ ও ইরানভিত্তিক পার্সটুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) যেসব দেশ ইসরাইলের কাছে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা স্থগিত করেছে তাদের পথ অনুসরণ করার জন্য ফ্রান্সের বিরোধী দলগুলো সরকারকে উৎসাহিত করে তোলার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি ইসরাইলি আগ্রাসনে গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।
ফরাসি গণমাধ্যমগুলো বলছে, ফ্রান্সের ইউরো ফ্যারাড কোম্পানি ইসরাইলকে অস্ত্র সরবরাহ করে আসছে এবং গাজায় যুদ্ধাপরাধের জন্য এই কোম্পানিটি সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত হয়েছে।
কোম্পানিটির সরবরাহ করা ক্ষেপণাস্ত্র গাজার শুহেইবার পরিবারের শিশুদের হত্যা করতে ব্যবহার করেছিল ইসরাইলি সেনারা।

প্যারিসের একটি বিশেষ বিভাগ মানবতাবিরোধী অপরাধে সহযোগিতা করার জন্য এই কোম্পানির বিরুদ্ধে এরইমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।
এর পাশাপাশি ফ্রান্সের ডসাল্ট, থেল্স এবং এমবিডিএ’র মতো কোম্পানিও যুদ্ধাপরাধে সহযোগিতা করার অভিযোগের মুখে রয়েছে।
তবে এবারই প্রথম নয়, এসব কোম্পানি ইয়েমেন যুদ্ধে সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতকেও অস্ত্র সরবরাহ করেছে।
এর আগে চলতি বছরের শুরুতে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাথরিন কোলোন্না বলেছিলেন, গাজা ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড এবং এটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার ইসরাইলের নেই।
তিনি আরও বলেছিলেন, গাজা ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড। যেটি ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অংশ হতে চায়। আমরা দুই রাষ্ট্রনীতিকে সমর্থন জানাই। যেটি একমাত্র কার্যকর সমাধান। ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রে গাজা এবং পশ্চিম তীরকে অবশ্যই ফিলিস্তিনের অংশ হতে হবে।
গাজায় দফায় দফায় বিমান হামলা, নিহত আরও ৯৭