হামাসের টিকিও ছোঁয়া যাচ্ছে না! 

আপডেট : ২৯ মার্চ ২০২৪, ০৬:৪৯ পিএম

৭ অক্টোবরে ইসরাইলে হামাসের নায়কোচিত হামলার পর এই অঞ্চলে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে যুদ্ধ। হামাসকে দমন অর্থাৎ পৃথিবীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে কি না করেছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর হায়েনারা। পুরো গাজাকে কবরস্থানে রূপ দিয়েছে তারা। 

একের পর এক ধ্বংসলীলায় কেঁপে উঠছে ফিলিস্তিনের প্রতিটি অঞ্চল। হামাসকে মারতে জল-স্থল থেকে শুরু করে গাজা টানেল সবখানে তন্নতন্ন করে খুঁজেছে ইহুদি সেনারা। আর এই যুদ্ধে ইসরাইলের সবচেয়ে বড় শক্তি বন্ধুরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র। সেই যুক্তরাষ্ট্রই এখন ফিলিস্তিনিদের জন্যে শোক করছে। 

উল্টোদিকে গাজার দিকে নেতানিয়াহুর লোলুপ দৃষ্টি সরাতে চেষ্টা-তদবিরের অন্ত রাখছেনা ওয়াশিংটন।শুধু তাই নয় হামাসের শক্তি নিয়ে বারবার নেতানিয়াহুকে সতর্ক করছে দেশটি। 

এবার যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিষয়ক সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব দ্য ওয়ার বলছে, ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের যুদ্ধের সক্ষমতা এখনো অটুট আছে। 

সংস্থাটি বলেছে, ১৮ মার্চ থেকে গাজা শহরের আল-শিফা হাসপাতালের কাছাকাছি অবস্থান নেয়া ইসরাইলি সেনাদের লক্ষ্য করে অন্তত ৭০ বার হামলা চালিয়েছে হামাসের যোদ্ধারা। গত বছর আল-শিফায় ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পর মার্চের শুরুতে আবারও সেখানে ফিরে আসে ইসরাইলের দখলদার সেনারা। 

এসব হামলার মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে হামাসের সক্ষমতা চনমনে। বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, হামলার তীব্রতা ইঙ্গিত করছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীটির যুদ্ধ করার সক্ষমতা অটুট। বর্তমানে আল-শিফার আশপাশে ইসরাইলি সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে হামাসের অন্তত ছয়টি দল।

এর আগে গত ৩ মার্চ গাজার জেইতুনে হামাসকে পুরোপুরি নির্মূল করার দাবি করেছিল ইসরাইল। কিন্তু বুধবার সেখানে আবারও ফিরে যায় ইসরাইলিরা। যার অর্থ গাজা সিটির অন্যান্য অঞ্চলে যেভাবে হামাসের যোদ্ধারা নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে; ঠিক একইভাবে জেইতুনেও চলছে হামাসের কার্যক্রম। 

গেল ৭ অক্টোবর থেকে গাজা থেকে হামাসকে পুরোপুরি নির্মূল করার ঘোষণা দিয়ে ছোট্ট এ উপত্যকায় ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে ইসরাইলি সেনারা। তবে তারা এই ক্ষেত্রে এখনো সফল হতে পারেনি। এটা যে সম্ভব নয় সেটি দাবি করেছেন ক্ষোদ দেশটির গোয়েন্দারাই। 

তাদের নির্লজ্জ স্বীকারোক্তি যে, গাজায় ছয় মাস ধরে প্রচণ্ড বোমাবর্ষণ সত্ত্বেও স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসকে ধ্বংস করতে পারেনি ইসরাইল। ব্যর্থ হয়েছে গাজায় আগ্রাসনের প্রধান উদ্দেশ্য। অন্যদিকে ধীরে ধীরে যুক্তরাষ্ট্রের মতো মিত্ররাতো ইসরাইলের বিরুদ্ধে চলে যাচ্ছে-যা তাদের কার্যকলাপেই প্রমাণিত। 

দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন মতে, ইসরাইল মনে করে, তারা গত ছয় মাসে মধ্য ও উত্তর গাজায় হামাসের প্রধান কমান্ড এবং নিয়ন্ত্রণ কাঠামো ভেঙে দিয়েছে। 

তবে বিভিন্ন এলাকায় এখনও গেরিলা প্রতিরোধ অব্যাহত রয়েছে। ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছেন, হামাসের ২৪টি ব্যাটালিয়নের মধ্যে চারটি ব্যাটালিয়নের টিকিটাও ছোঁয়া যায়নি। 

গাজার রাফায় অবস্থান করছে তারা। পশ্চিমাদের বারণ সত্ত্বেও এরই মধ্যে রাফায় আক্রমণ চালানোর প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসরাইল। যেখানে আশ্রয় নিয়েছে গাজার প্রায় ১৭ লাখ উদ্বাস্তু।

এআরএস
টাইমলাইন: হামাস-ইসরাইল সংঘর্ষ
১১ অক্টোবর ২০২৫, ১৩:৩৯
১৮ অক্টোবর ২০২৪, ২০:৫৪
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা এক অভূতপূর্ব ও নজিরবিহীন সংকটের মুখে পড়েছে। ফিলিস্তিনি ওয়াটার অথরিটির বরাত দিয়ে জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম 'প্যালেস্টাইন টিভি' জানিয়েছে,...
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় প্রতি রাতে কমপক্ষে ‘৩০ থেকে ৪০ জন’ ফিলিস্তিনিকে চিহ্নিত করে হত্যা করার প্রকাশ্য আহ্বান জানিয়েছেন ইসরাইলের চরমপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। শুধু তাৎক্ষণিক...
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রক সংগঠন হামাসকে নিরস্ত্র করার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ইসরাইলি হত্যাযজ্ঞ থামেনি। সবশেষ দখলদারদের ড্রোন হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় শিশুসহ অন্তত সাত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকতার যে স্বাধীনতা আছে, বাকস্বাধীনতা আছে, সেটা অব্যাহত থাকবে। এখন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করছে।
বিএনপি ফটোসেশনের রাজনীতি করে না। ফটো শো’র রাজনীতিও করে না বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুর ইউনিয়নে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে হাতবোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সালাউদ্দিন গাজী নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের দেশ উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, এ দেশে যারা বসবাস করেন তারা সবাই এবং সব ধর্মের...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর