হামাসের পর এবার ইসরাইলি অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে লেবাননভিত্তিক শিয়াপন্থি সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, রোববার ইসরাইলের সাথে হিজবুল্লাহর গুলি বিনিময় হলেও এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ইরান সমর্থিত সশস্ত্র দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা ফিলিস্তিনি জনগণের সাথে সংহতি প্রকাশ করে রোববার অধিকৃত লেবাননের শেবা ফার্মের তিনটি অবস্থান লক্ষ্য করে আর্টিলারি শেল ও গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
অন্যদিকে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর হামলার জবাবে তারা লেবাননের একটি এলাকায় পাল্টা গোলা ছুড়েছে।
এছাড়াও ইসরাইলের একটি ড্রোন শেবা অঞ্চলের হার ডভ এলাকায় হিজবুল্লাহর একটি অবস্থানে আঘাত করেছে বলে দাবি তেল আবিবের।
ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্সেসের (আইডিএফ) মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এই মুহূর্তে হার ডভ বা উত্তরাঞ্চলে আর কোনো হুমকি নেই। আমাদের সেনাবাহিনী সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
লেবাননের একটি নিরাপত্তা সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, শেবা ফার্মে হিজবুল্লাহ কর্তৃক স্থাপন করা একটি তাঁবু ইসরাইলি হামলায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। তবে হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা আবার একটি নতুন তাঁবু তৈরি করেছে।
এর আগে শনিবার ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী দল হামাস হঠাৎ করেই ইসরাইলে এ বছরের সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়েছে। হামাসের এ নজিরবিহীন হামলায় অন্তত ৩০০ জন ইসরাইলি নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইসরাইলি বাহিনীর পাল্টা বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন ৩১৩ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি। এসব হামলায় এরইমধ্যে আহতের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে।
এ হামলার ঘটনায় ইরান সরকারের পাশপাশি হিজবুল্লাহও ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের অভিনন্দন জানিয়েছে এবং ফিলিস্তিন ও জেরুজালেমের মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিরা যেন ইসরাইলের লক্ষ্য না হয়, যুক্তরাষ্ট্রকে সৌদি
ইসরাইলে হঠাৎ করে কেন হামলা চালালো হামাস?