ইসরাইলের হামলায় ফিলিস্তিনের ৩৭০ জন নাগরিকের প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানিয়েছে তাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বিবিসি জানিয়েছে, ইসরাইলের হামলায় শনিবার থেকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২২০০ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে হামাসের হামলায় ছয়শোর বেশি ইসরাইলি নিহত হয়েছেন।
ইসরাইল সরকারের প্রেস অফিস এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছে তাদের একশো জন নাগরিককে অপহরণ করেছে হামাস। দুই হাজারের বেশি ইসরাইলি আহত হয়েছে বলেও জানিয়েছে দেশটির প্রেস অফিস।
রোববার সন্ধ্যায় ইসরায়েলের নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের অনুমোদন দিয়েছে, যাতে দেশটি সর্বাত্মক যুদ্ধে যেতে পারবে।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম আইআরএনএ’র বরাত দিয়ে আল-জাজিরা জানিয়েছে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ইসমাইল হানিয়েহ এবং ইসলামিক জিহাদ মুভমেন্টের সেক্রেটারি জেনারেল জিয়াদ আল নাকখালাহের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।
শনিবার ভোরে গাজা থেকে হামাসের নজিরবিহীন হামলার প্রতিশোধ নিতে ওই দিনই প্রবল আক্রমণ শুরু করে ইসরাইল। গাজার চিত্র পুরোপুরি পাল্টে দেওয়ার হুঙ্কার দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইওয়াভ গ্যালান্ত।
এদিকে ইসরাইলে হামলা চালানো শতাধিক ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীকে হত্যার দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। আরো বেশ কয়েকজনকে বন্দি করার কথাও তারা জানিয়েছে।
শনিবার ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী দল হামাস হঠাৎ করেই ইসরাইলে এ বছরের সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়েছে।
রোববার ইসরাইলি অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে লেবাননভিত্তিক শিয়াপন্থি সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ।
ইরান সরকারের পাশপাশি হিজবুল্লাহও ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের অভিনন্দন জানিয়েছে এবং ফিলিস্তিন ও জেরুজালেমের মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
যে কৌশলে ইসরাইলে হামলা চালালো হামাস
হামাস কী চায়, তাদের সমর্থক কারা?