অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি ও পুনরায় শান্তি আলোচনা শুরু করতে স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস এবং দখলদার ইসরাইলকে আহবান জানিয়েছে তিন মধ্যস্থতাকারী দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কাতার এবং মিশর। নতুন করে আলোচনায় বসতে এরইমধ্যে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্মতি জানালেও, এ নিয়ে এখনও সবুজ সংকেত দেয়নি হামাস।
দুই পক্ষ রাজি থাকলে আগামী সপ্তাহে কাতারের দোহা বা মিশরের কায়রোয় এই আলোচনা শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। খবর ফ্রান্স২৪ ও আল জাজিরার।
বৃহস্পতিবার তিন মধ্যস্থতাকারী দেশের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, আর বিলম্ব না করে চুক্তি বাস্তবায়নে অবশিষ্ট সকল ব্যবধান দূর করতে যুদ্ধরত পক্ষগুলোকে ১৫ আগস্ট আবার আলোচনা শুরু করার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
কাতারের আমির, যুক্তরাষ্ট্র ও মিশরের প্রেসিডেন্টের সই করা ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একটি ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি ‘এখন টেবিলে, শুধুমাত্র বিশদ বিবরণসহ এটির বাস্তবায়ন’ সম্পন্ন করা বাকি রয়েছে।
এ বিষয়ে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং মধ্যস্থতাকারীদের প্রস্তাবের পর ইসরাইল যুদ্ধবিরতি আলোচনা পুনরায় শুরু করতে আগামী ১৫ আগস্ট আলোচকদের একটি প্রতিনিধি দল পাঠাবে।
এদিকে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী সম্মতি জানালেও এ বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি হামাস।
এর আগে গেলো বছরের অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় বিমান হামলা ও স্থল হামলা শুরু করে ইসরাইল। এ আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ৪০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। আহত লাখ ছাড়িয়েছে।
গাজা গণহত্যা শুরুর পর থেকেই যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে। মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে মিশর, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্র এ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
হামাস বলছে, তারা গাজায় যুদ্ধ বন্ধ ও উপত্যকা থেকে ইসরাইলি বাহিনীর প্রত্যাহার চায়। পাশাপাশি ইসরাইলের হাতে জিম্মি থাকা হাজার হাজার ফিলিস্তিনের মুক্তির দাবি জানিয়েছে ইরান সমর্থিত সংগঠনটি।
অন্যদিকে হামাসকে ধ্বংস করার আগ পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ করতে নারাজ নেতানিয়াহু।
তদন্ত থেকে টিউলিপকে অব্যাহতি
ইসরাইলের বন্দর শহরে দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর যৌথ হামলা