ইসরাইলে চালানো হামাসের হামলায় ছোট ও তুলনামূলক সস্তা ড্রোন ব্যবহার করে তারা। এর মধ্য দিয়ে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র প্রযুক্তি ব্যবহার করা ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে চমকে দেয় হামাস। মুবার-ওয়ান নামের হামাসের নতুন একটি অস্ত্র ইসরাইলের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে।
ইসরাইলে হামলা শুরুর মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে পাঁচ হাজার রকেট ছোড়েন হামাস যোদ্ধারা। ঝাঁকে ঝাঁকে রকেট ছুটে আসায় ইসরাইলের অপ্রতিরোধ্য বলে খ্যাত আয়রন ডোমও ঠিকমতো কাজ করেনি।
হামাস তাদের হামলায় ব্যবহার করে ইসরাইলের তৈরি স্কাইলার্ক ড্রোনের মতো অতি ক্ষুদ্রাকৃতির আকাশযান। এছাড়া হামাস যোদ্ধারা প্যারাসুটে মোটর লাগিয়ে বিশেষ কৌশলে সীমানা বেড়া টপকে যান। এই কৌশলে ইসরাইলের অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে তাদের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে চমকে দেয় হামাস।

তবে এর মাঝেই মুবার-ওয়ান নামের নতুন একটি অস্ত্র ইসরাইলের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে। এটি একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। যার মাধ্যমে ইসরাইলের চারটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করেছে হামাস।
এই প্রযুক্তি ব্যবহারের তিনটি ধাপ রয়েছে। প্রথম ধাপটি হলো, মিসাইল ছোঁড়ার ক্ষেত্র। দ্বিতীয় ধাপে আড়াই ফুট দীর্ঘ পাইপ আকৃতির একটি মিসাইল স্থাপন করা হয়। তৃতীয় ধাপে নিরাপদ অবস্থান থেকে রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে এটিকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং লক্ষ্যবস্তুকে খুঁজে বের করে আঘাত করা হয়।

প্রতিবার একটি করে মিসাইল নিক্ষেপের পর পরবর্তী অপারেশনের জন্য আরেকটি মিসাইল স্থাপন করতে হয়। পুরো ব্যবস্থাটিকে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যেন এটিকে সহজেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় স্থানান্তর করা যায়।
আর মিসাইলসহ ব্যবস্থাটি চারদিকে ঘুরে এবং ২০ থেকে ৭০ ডিগ্রি উপর-নিচ হয়ে নিশানা ঠিক করতে পারে। মিসাইলটি জ্বালানি ব্যবহার করে ৬ থেকে ৮ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
প্রতিটি ব্যবস্থায় চারজন সহযোগী নিযুক্ত থাকেন। অনেকে মুবার-ওয়ান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ইরানি প্রযুক্তি দাবি করলেও হামাসের দাবি ফিলিস্তিনের মাটিতে এটি তাদের আল-কাশেম ব্রিগেড তৈরি করেছে।
সংঘাতের মধ্যেই ইসরাইল যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
অস্ত্র পেয়ে ইসরাইলে বাইডেনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিলবোর্ড