যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিরোধ দেখা দিলেও গাজা উপত্যকার রাফাহ শহরের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করতে বদ্ধপরিকর ইসরাইল। বৃহস্পতিবার রাফাহ শহরকে হামাসের শেষ ঘাঁটি হিসেবে উল্লেখ করে এক সিনিয়র ইসরাইলি কর্মকর্তা এ কথা বলেছেন।
গাজায় ট্যাংক ও সেনা নিয়ে ইসরাইলি অভিযান নিয়ে উদ্বিগ্ন ওয়াশিংটন। বিশেষ করে সেখানে আশ্রয় নেওয়া লাখো ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেওয়ার কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা না থাকায় মার্কিন কর্মকর্তাদের এই উদ্বেগ। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
বেসামরিকদের সরিয়ে নেওয়া ও মানবাধিকার সহযোগিতার পদক্ষেপ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পক্ষ থেকে হোয়াইট হাউজের সহযোগীরা ইসরাইলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আসন্ন দিনগুলোতে আলোচনা করবেন।
ইসরাইলি স্ট্রাটেজিস্ট রন ডারমার বলেছেন, তারা আত্মবিশ্বাসী যে তারা কার্যকর উপায়ে রাফায় স্থল অভিযান চালাতে পারবে। শুধু যে সামরিক উপায়ে তা নয়, মানবিক দিক থেকেও এ অভিযান সম্ভব বলে জানান তিনি। এই বিষয়ে তাদের (যুক্তরাষ্ট্র) আত্মবিশ্বাস কম বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রে ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ডারমার বলেন, রাফাহ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ধারণাগুলো শুনবে ইসরাইল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মিসর সীমান্তবর্তী শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেবে ইসরাইল। মিত্ররা রাজি হোক বা না হোক।
তিনি বলেছেন, ইসরাইল একা লড়াই করতে বাধ্য হলেও এটি ঘটবে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রসহ পুরো বিশ্ব যদি ইসরাইলের বিপক্ষে চলেও যায়, তবুও তারা লড়াইয়ে জয়ী হওয়ার আগ পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, তারা তাদের (হামাস) আর কোনো সুযোগ দেবে না। তারা রাফার নিয়ন্ত্রণ নেবেন। কারণ তিনি মনে করেন, মানুষ বুঝছে না যে, ৭ অক্টোবরের হামলা ছিল ইসরাইলের অস্তিত্বের ওপর হামলার একটি মুহূর্ত।
গাজায় চলমান সংঘাত শুরুর পর ষষ্ঠ দফায় মধ্যপ্রাচ্য সফরে রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে আরব নেতাদের সঙ্গে তিনি আলোচনা করছেন। ইসরাইল বলেছে, তারা একটি সমঝোতার পক্ষে। কিন্তু হামাসকে ক্ষমতায় রেখে যুদ্ধের অবসান তারা ঘটাবে না।
বারবার ভেটো দিয়ে এবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের