হামাস ও ইসরাইলি বাহিনীর হামলা-পাল্টাহামলা চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত উভয় পক্ষের দুই হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে বলে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে ১২০০ ইসরাইলি এবং ৯০০ জন ফিলিস্তিনি রয়েছে, আহত হয়েছে কয়েক হাজার মানুষ। বিবিসির খবর।
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের আকস্মিক হামলায় অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে ইসরাইল। গত ৭৫ বছরে কখনো এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়নি ইসরাইলকে। কোনো পূর্বসতর্কতা ও হুমকি-ধমকি ছাড়াই হঠাৎ করে শনিবার সীমান্তপ্রাচীর ভেঙে ইসরাইলের ভেতর ঢুকে পড়ে হামাস।
এদিকে হামাসের হামলার প্রতিশোধ নিতে শনিবার থেকেই ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো শুরু করে ইসরাইল। আর তাদের এসব হামলায় গাজায় প্রায় ৯০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গেলো ২৪ ঘন্টায় গাজা উপত্যকার ২০০টিরও বেশি স্থানে হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী। যার মধ্যে গাজা শহরের রিমালপাড়া এবং খান ইউনিস শহরও রয়েছে। ইসরাইলের সামরিক বাহিনী বলেছে, যেসব জায়গায় হামলা করা হয়েছে তার মধ্যে একটি মসজিদ ও অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে।
জানা যায় হামাসের কাছে প্রচুর ইসরাইলি নাগরিক জিম্মি আছে। তাদের ব্যাপারে তথ্য পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে অনুসন্ধান করছেন ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
এদিকে হামাসের সশস্ত্রগোষ্ঠী আল-কাশেম ব্রিগেডস হুমকি দিয়েছে, গাজায় বোমা হামলা চালিয়ে নিরীহ বেসামরিক মানুষ হত্যা বন্ধ না করলে কোনো প্রাক-আভাস ছাড়াই জিম্মি ইসরাইলিদের মেরে ফেলা হবে।
অনেক বছর ধরে ফিলিস্তিনের শহর গাজা থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পেরেছিল ইসরাইল। কিন্তু গত শনিবার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাদের সেই সুরক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। মাত্র ২০ মিনিটেই পাঁচ হাজার রকেট ছোড়ে হামাস।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গাজা উপত্যকাকে সম্পূর্ণ অবরোধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। খাদ্য, জ্বালানি, বিদ্যুৎ এবং পানি সরবরাহ বন্ধ করে দিতে বলা হয়।
শনিবার সকালে হামলা শুরুর পর থেকে ইসরাইল গাজায় খাদ্য, ওষুধসহ সব ধরনের সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। অনেকেই বর্তমানে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সেবা ছাড়াই আছে। ইতিমধ্যে হয়তো প্রয়োজনীয় খাদ্য ও পানি সরবরাহও বন্ধ হয়ে গেছে।
নতুন করে গাজায় ৫০ এর বেশি বিমান হামলা ইসরাইলের