ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান টেলিফোনে আলোচনা করেছেন। চলতি বছরের শুরুতে চীনের মধ্যস্ততায় দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক পুনরায় শুরুর পর দুই নেতার মধ্যে এই প্রথম আলাপ হলো।
ইসরাইলে ফিলিস্তিনি হামাস যোদ্ধাদের একটি মারাত্মক হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইসরাইল গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা চালানোর পর এ সংঘাত নিরসনে বুধবার দুই নেতার আলোচনা হয়। খবর রয়টার্স’র।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে চলমান সংঘাত বন্ধ করার জন্য যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের সম্ভাব্য চেষ্টা করছেন বলে সৌদি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে।
ইসরাইলের অব্যাহত বিমান হামলায় কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গাজা। এ সংঘাতের পঞ্চম দিনে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ২৪০০ মানুষ। আহত হয়েছেন পাঁচ হাজারের বেশি।
ইসরাইলের সামরিক বাহিনী বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, তারা গাজায় হামাসের লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপকভাবে হামলার চালাচ্ছে।
শনিবার ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামীদের সংগঠন হামাস কয়েক বছরের মধ্যে ইসরাইলের ওপর সবচেয়ে বড় হামলা চালায়। ইসরাইলের ভূখণ্ডে ৫ হাজারেরও বেশি রকেট হামলা করে সংগঠনটি। এ রকেট হামলার পাঁচ ঘণ্টা পর জনগণের উদ্দেশে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধের ঘোষণা দেন।
গাজায় ইসরায়েল যা করছে তা ‘গণহত্যা’: এরদোয়ান