ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় উপত্যকায় ইসরাইলের বিমান হামলায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে তিন হাজারে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের এক তৃতীয়াংশই শিশু। গুরুতর আহত হয়েছেন প্রায় ১২ হাজার ৫০০ জন।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে হতাহতের এ সংখ্যা নিশ্চিত করেছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
গাজায় বিমান হামলা আরও তীব্র করেছে ইসরাইলি বাহিনী। হামলায় এখন কার্যত বিপর্যস্ত গাজা উপত্যকা। এরই মধ্যে সীমান্তে স্থল অভিযানের পায়তারা করছে ইসরাইলি সেনারা। ইসরাইলের সর্বাত্মক অবরোধে উপত্যকায় সার্বিক পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটছে।
এদিকে গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরাইলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪০০ জনে। এর মধ্যে ৩০২ জন সেনা বলে জানিয়েছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।
গাজায় খাদ্য ও পানি দ্রুতই ফুরিয়ে যাচ্ছে। শিগগিরই ত্রাণ সহায়তা না পেলে মানবিক বিপর্যয় ঘটতে পারে। এমন পরিস্থিতিতেও ‘গাজার লাইফলাইন’ খ্যাত রাফাহ ক্রসিং খুলে দিতে টালবাহানা করছে ক্রসিংটির নিয়ন্ত্রক দেশ মিশর।
হাজার হাজার ফিলিস্তিনি সীমান্তের অপর প্রান্তে তথা গাজার অভ্যন্তরে ত্রাণ সহায়তার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুণছে। আর অপর প্রান্ত তথা মিশরের অংশে ত্রাণ সহায়তা বহনকারী শত শত লরি-ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে। কর্তৃপক্ষের সবুজ সংকেত পেলেই তারা গাজায় প্রবেশ করবে।
কিন্তু ক্রসিং খোলার কোনো লক্ষণ এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি। সোমবার মিশর কর্তৃপক্ষ জানায়, রাফাহ ক্রসিং খোলার ব্যাপারে ইসরাইল কোনো সহযোগিতা করছে না। আরও জানায়, ‘রাফাহ ক্রসিং বন্ধ নয়। তবে ক্রসিংয়ের গাজা অংশে ইসরাইলের বিমান হামলার কারণে এটা অচল হয়ে আছে।’
এদিকে, ইসরাইলি বাহিনী আবারও জানিয়েছে, গাজায় বড় ধরনের স্থল অভিযানের পরিকল্পনা করছে তারা। এরই মধ্যে তিন লাখ ৬০ হাজার সেনার পাশাপাশি সীমান্তে হাজার হাজার ট্যাঙ্ক ও সাজোঁয়া যান মোতায়েন করা হয়েছে।
গাজায় ১৩০০’র বেশি ভবন ধ্বংস: জাতিসংঘ