গাজায় খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিতে নিরাপদ করিডোর তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের সংস্থা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)।
ডব্লিউএফপি বলেছে, সংঘাতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে, অরক্ষিত শিশু এবং তাদের পরিবারসহ বেসামরিক নাগরিকরা প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে।
ডব্লিউএফপি ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় নিরাপদ এবং নিরবচ্ছিন্ন মানবিক প্রবেশাধিকারের আহ্বান জানিয়ে সব পক্ষকে মানবিক আইনের নীতিগুলো সমুন্নত রাখারও অনুরোধ জানিয়েছে।
জাতিসংঘের এই সংস্থাটি মাসে প্রায় সাড়ে তিন লাখ ফিলিস্তিনিকে সরাসরি খাদ্য সহায়তা দেয়। পাশাপাশি অন্যান্য মানবিক অংশীদারদের সহযোগিতায় প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনিকে সহায়তা দেয়।
সংস্থাটি বলছে, যারা বাস্তুচ্যুত হয়েছে বা আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলো তাদের জন্য একটি খাদ্য মজুদের স্থাপনা তৈরি করতে প্রস্তুত তারা।
জাতিসংঘের সংস্থাটি বলছে, যদিও ফিলিস্তিনের ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার বেশিরভাগ দোকানে বর্তমানে এক মাসের খাদ্য মজুদ রয়েছে, তবে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ভয়ে সংঘাতপীড়িত এলাকার মানুষজন বেশি করে খাবার কেনার কারণে ঝুঁকি বাড়ছে।
শনিবার ভোরে গাজা থেকে হামাসের নজিরবিহীন হামলার প্রতিশোধ নিতে ওই দিনই প্রবল আক্রমণ শুরু করে ইসরাইল। এদিকে ইসরাইলে হামলা চালানো শতাধিক ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীকে হত্যার দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। আরও বেশ কয়েকজনকে বন্দি করার কথাও তারা জানিয়েছে।
শনিবার ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী দল হামাস হঠাৎ করেই ইসরাইলে এ বছরের সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়েছে।
রোববার ইসরাইলি অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে লেবাননভিত্তিক শিয়াপন্থি সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ।
রোববার সন্ধ্যায় ইসরায়েলের নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের অনুমোদন দিয়েছে, যাতে দেশটি সর্বাত্মক যুদ্ধে যেতে পারবে।
ইসরাইলের লাগাতার হামলায় গাজার ৮০ শতাংশ বাসভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। গাজার পূর্বাঞ্চলে বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের ফোনে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ মেসেজ দিয়ে এলাকা ছাড়ার নির্দেশনা দিয়েছে। তাদেরকে গাজার মধ্যবাগে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
