দক্ষিণ লোহিত সাগরে একটি ইসরাইলি জাহাজ আটক করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। এ ঘটনার জন্য ইরানকে দায়ী করে ইসরাইল বলছে, এটি আরেকটি ‘ইরানি সন্ত্রাসবাদ’।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটকের সময় একজন ইসরাইলি ব্যবসায়ীর মালিকানাধীন 'গ্যালাক্সি লিডার' নামে ওই জাহাজ কমপক্ষে ২২ জন ক্রু ছিলেন। জাহাজটি তুরস্ক থেকে ভারতে যাচ্ছিল।
ইয়েমেনের রাজধানী সানা থেকে আল জাজিরার মোহাম্মদ আল-আত্তাব বলেন, আমরা একজন হুথি কর্মকর্তার কাছ থেকে নিশ্চিত হয়েছি যে, তারা এই জাহাজটি হাইজ্যাক করেছে।
হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে বলেছেন, আমরা আটক ক্রুদের সাথে ইসলামিক নিয়ম এবং নীতি অনুসারে আচরণ করছি।
তিনি জানান, ইসরাইলের মালিকানাধীন যে কোনো জাহাজ বা যারা তাদের সমর্থন করে তারা হুতি বাহিনীর জন্য একটি বৈধ লক্ষ্য হবে।
তিনি আরও বলেন, গাজা এবং পশ্চিম তীরে আমাদের ফিলিস্তিনি ভাইদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন এবং অপরাধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমরা ইসরাইলের বিরুদ্ধে আমাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করছি।
এদিকে জাহাজ হাইজ্যাকের এ ঘটনাকে একটি অত্যন্ত গুরুতর ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর কার্যালয় বলছে, এসব জাহাজের মালিকানা, অপারেশন বা তার আন্তর্জাতিক ক্রুদের সাথে ইসরাইল জড়িত না।
এ ঘটনার জন্য ইরানকে দায়ী করে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এটি আরেকটি ‘ইরানি সন্ত্রাসবাদ’।
গেলো ৭ অক্টোবর থেকে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত ১২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের অধিকাংশই শিশু। এরই ধারাবাহিকতায় তেহরান সমর্থিত হুথিরা ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং ইসরাইল লক্ষ্য করে নিয়মিত হামলা চালাচ্ছে।
ফিলিস্তিনের জিডিপি কমেছে, ঝুঁকি বাড়ছে অর্থনীতিতে