ইসরাইলি হামলায় গাজায় সহস্রাধিক মসজিদ ধ্বংস

আপডেট : ১৫ মার্চ ২০২৪, ০৮:৫৩ পিএম

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় গত ৭ অক্টোবর থেকে ইসরাইলের বর্বর হামলায় এখন পর্যন্ত এক হাজার মসজিদ ধ্বংস হয়েছে। তাই পবিত্র রমজান মাসে নামাজ পড়ার জায়গা পাচ্ছে না ফিলিস্তিনিরা। গাজার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ধ্বংস হওয়া মসজিদ পুনর্নির্মাণে প্রয়োজন অন্তত ৫০ কোটি ডলার।

পাঁচ মাসের বেশি সময় ধরে গাজায় ইসরাইল ও হামাসের মধ্যকার চলমান যুদ্ধে প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত গোটা এলাকা। ইসরাইলের হামলা থেকে বাদ পড়েনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে মসজিদ, গির্জাসহ ধর্মীয় স্থাপনাও। ফলে রমজান মাসেও নামাজের স্থান পাচ্ছেন না গাজাবাসী।

পবিত্র রমজান মাসের তারাবিহ নামাজের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা পাচ্ছে না গাজাবাসী, কারণ বেশিরভাগ মসজিদ ধ্বংস হয়ে গেছে । এমনকি সেখানে ওযু করার জন্যও মিলছে না পর্যাপ্ত পানি। স্বেচ্ছাসেবীরা নামাজ আদায়ের জন্য সেখানে ছোট ছোট জায়গা তৈরি করেছেন। সীমিত পরিসরে নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা।

গাজার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় বলছে, ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গাজায় থাকা ১,২০০ মসজিদের মধ্যে কমপক্ষে এক হাজার মসজিদ পুরোপুরি বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া, ৭ অক্টোবরের পর ইসরাইলের হামলায় ইমাম, মুয়াজ্জিন ও হাফেজসহ শতাধিক ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব নিহত হয়েছেন।

ফলে, মিলছে না নামাজ পড়ানোর লোকও। ইসরাইলের চলমান হামলায় গাজার পশ্চিমাঞ্চল বিশেষ ভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তাই রমজান মাসেও কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারছেন না তারা।

এই পরিস্থিতিতে, গাজার জাবালিয়ায় তারাবির নামাজ আদায় করতে একটি অস্থায়ী মসজিদে জড়ো হয়েছেন ফিলিস্তিনিরা। অস্থায়ী এই মসজিদেই চলছে ইবাদত বন্দেগি।

আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইসরাইলিরা রাফার আল হুদা মসজিদেও হামলা চালিয়েছে। গত মাসে হামলা চালানো এ মসজিদটি সেখানকার অন্যতম পুরান মসজিদ ছিলো। এটি ১৯৫২ সালে নির্মিত এই মসজিদের সঙ্গে একটি লাইব্রেরিও ছিল। এখানে দেড় হাজারের বেশি মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারতেন।

ইসরাইলি হামলায় মসজিদটি ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে সীমিত পরিসরে নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা। তবে আসন্ন রমজান মাসে ফিলিস্তিনিরা নতুন করে প্রস্তুতি নিয়েছেন। তারা আল হুদা মসজিদে জমায়েত হয়ে নামাজ আদায় করছেন।

এর আগে গত অক্টোবরে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় ধসে পড়ে গাজার ঐতিহাসিক আল ওমারি মসজিদ। ওই সময়ে সামাজিক মাধ্যমে ধ্বংসপ্রাপ্ত মসজিদের ৩টি ছবি প্রকাশ করে। ছবিতে ধ্বংসপ্রাপ্ত মসজিদটি বিবর্ণ রূপ দেখা যাচ্ছে। যেখানে মুসল্লিরা নামাজ আদায় করতেন সে জায়গাটিও সম্পূর্ণ নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

হামাস ও ইসরাইলের মধ্যকার চলমান যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি কষ্টের শিকার হচ্ছে নির্দোষ গাজাবাসী। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বলছে, প্রায় প্রতিদিন গাজার শিশুরা অনাহারে ও অপুষ্টির শিকার হয়ে মারা যাচ্ছে। এছাড়া রমজান মাস জুড়ে ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ড দেখা দিয়েছে চরম দুর্ভিক্ষ।

এআরএস
টাইমলাইন: হামাস-ইসরাইল সংঘর্ষ
১১ অক্টোবর ২০২৫, ১৩:৩৯
১৮ অক্টোবর ২০২৪, ২০:৫৪
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা এক অভূতপূর্ব ও নজিরবিহীন সংকটের মুখে পড়েছে। ফিলিস্তিনি ওয়াটার অথরিটির বরাত দিয়ে জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম 'প্যালেস্টাইন টিভি' জানিয়েছে,...
দক্ষিণ লেবাননের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলি আল-তাহের পাহাড়ি রিজ এলাকায় বড় ধরণের সামরিক অভিযান চালালে যুক্তরাষ্ট্রকে জোরালো পাল্টাহামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তিন জন ঊর্ধ্বতন...
নাইজেরিয়ার উত্তর-মধ্যাঞ্চলীয় নাইজার রাজ্যে জুমার প্রার্থনার সময় একটি মসজিদে হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকজন মুসল্লিকে অপহরণ করেছে সশস্ত্র বন্দুকধারীরা। সহিংস অপরাধী চক্রের উপদ্রবে জর্জরিত এই অঞ্চলে...
সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসন ও যুদ্ধ চলাকালে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শত্রুপক্ষের ২০০টিরও বেশি ড্রোন ও মানবচালিত যুদ্ধবিমান সফলভাবে ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করেছে ইসলামিক...
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি ও জন্মাষ্টমী শুক্রবার। ন্যায়নীতি, সত্য ও সুন্দরকে প্রতিষ্ঠা এবং দুষ্টের দমন করে মানবজাতির কল্যাণের লক্ষ্যে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের এই...
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) বাতিল হওয়ার কারণে খেলোয়াড়দের আয়ের সুযোগ কমে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচ ফি দ্বিগুণ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর পরিবর্তে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ (এসআরবি) নামে পুলিশের একটি নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে।
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যকে কোনো স্লোগান নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর