ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত মধ্য ইউরোপের দেশ স্লোভেনিয়া এবার ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী রবার্ট গোলব এ ঘোষণা দেন।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী রবার্ট গোলব বলেন, ফিলিস্তিনকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্লোভেনিয়ার সরকার।
তবে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে দেশটির পার্লামেন্টের অনুমোদনের প্রয়োজন পড়বে। আগামী মঙ্গলবার পার্লামেন্টে এ বিষয়ে ভোটাভুটি হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্পিকার আর্সকা ক্লাকোচার জুপানসিস।
স্লোভেনিয়ার প্রধানমন্ত্রীর এমন ঘোষণার পর ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এক এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টে জানিয়েছেন, তিনি আশা করছেন স্লোভেনিয়ার পার্লামেন্ট মেম্বাররা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবেন।
ইসরায়েল কাৎজ বলেন, ফিলিস্তিনের স্বীকৃতির বিষয়টি স্লোভেনিয়ার পার্লামেন্টে অনুমোদন পেলে তা হামাসকে পুরস্কৃত করা হবে। আমি আশা করছি, স্লোভেনিয়ার পার্লামেন্ট এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবে।
স্লোভেনিয়ার প্রধানমন্ত্রীর এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিন সরকার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেয়া এক বিবৃতিতে স্লোভেনিয়ার এ সাহসী সিদ্ধান্তকে দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করেছে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্সি।
এর আগে, মঙ্গলবার ইউরোপের তিন দেশ স্পেন, নরওয়ে ও আয়ারল্যান্ড একযোগে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেওয়ার পর এ ঘোষণা দিলেন স্লোভেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী। তিন দেশের মধ্যে প্রথমে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় স্পেন।
স্প্যানিশ সরকারের মুখপাত্র পিলার আলেগ্রিয়া বলেন, মন্ত্রিসভা ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। যার মূল উদ্দেশ্য ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনিদের শান্তি অর্জনে সহায়তা করা।
এরপর নরওয়ে ও আয়ারল্যান্ড সরকারের পক্ষ থেকেও একই ধরনের ঘোষণা আসে।
ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি ইউরোপের তিন দেশের