ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইসরাইলের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে নৌবাহিনীর দুইটি জাহাজ, ১০০ নাবিক এবং নজরদারি বিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য।
শুক্রবার ভূমধ্যসাগরের পূর্বাঞ্চল থেকে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীকে এ সহায়তা দেবে ঋষি সুনাক সরকার। খবর দ্য গার্ডিয়ান’র।
এ বিষয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিট এক বিবৃতিতে ঘোষণা করেছে, ইরান বা রাশিয়ার মতো দেশগুলো থেকে লেবাননের হিজবুল্লাহকে অস্ত্র সহায়তার যেকোনো প্রচেষ্টার পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পসেইডন পি-৮ বিমান ও অন্যান্য বিমানের টহল ফ্লাইট শুক্রবার শুরু হচ্ছে।
সাইপ্রাসের আকটরিরির আরএএফ ঘাঁটিতে যোদ্ধা ও বিমানবাহিনী সতর্ক অবস্থা থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গত শনিবার থেকে এখন পর্যন্ত ইসরাইলের বিমান হামলায় শত শত বাড়িঘর ধসে পড়েছে। এমন বাস্তবতায় গাজায় ফিলিস্তিনির মৃত্যুর সংখ্যা ১৪০০ ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলে হামাসের তাণ্ডবে ১৩০০ নিহত হন।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক বলেছেন, যুক্তরাজ্যের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে– সেখানকার আঞ্চলিক ও উত্তেজনা নিরসন নিশ্চিত করা। হামাসের সন্ত্রাসী হামলার ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার নিরীহ নিহত মানুষের কাছে মানবিক ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।
শুধু যুক্তরাষ্ট্রই নয়, যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্সসহ আরও কয়েকটি পশ্চিমা দেশের সরকারপ্রধান এ ঘটনায় ইসরাইলকে সমর্থনের প্রতিশ্রুতির ঘোষণা দেয়। আর ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়িয়েছে ইরান ও সৌদি আরব।
ইসরাইলি হামলায় পুরো গাজা এখন যেন ধ্বংসস্তূপ