ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে চলমান সংঘর্ষ এবং গাজায় ইসরাইলি হামলা বন্ধে, রাশিয়ার মানবিক যুদ্ধবিরতির একটি খসড়া প্রস্তাব সোমবার নাকচ করে দিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।
মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ খসড়া প্রস্তাবের পক্ষে পাঁচটি ভোট এবং বিপক্ষে চারটি ভোট পড়েছে। ভোট দেয়া থেকে বিরত থেকেছে ছয়টি দেশ। ফলে প্রস্তাবটি পাশ হয়নি।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব কার্যকর করতে কমপক্ষে ৯টি ভোট এবং পাঁচ স্থায়ী সদস্য- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স এবং ব্রিটেনের সমর্থনের প্রয়োজন পড়ে। এদিন পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতিনিধিরা প্রস্তাবটি পাশ করতে দেয়নি।
রাশিয়ার জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেছেন, আজ, সারাবিশ্ব রক্তপাত বন্ধ করার জন্য নিরাপত্তা পরিষদের পদক্ষেপের জন্য নিঃশ্বাস বন্ধ করে করে অপেক্ষা করছিল, কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতিনিধিরা সেই প্রত্যাশাকে শেষ করে দিয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাশিয়া জাতিসংঘের একটি এক পৃষ্ঠার খসড়া প্রস্তাব জমা দেয়। প্রস্তাবে জিম্মিদের মুক্তি, মানবিক সহায়তা এবং প্রয়োজনে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদ সরিয়ে নেয়ারও আহবান জানানো হয়।
রাশিয়ার প্রস্তাবে বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতা এবং আগ্রাসনের নিন্দা করা হয়েছে। তবে হামাসের নাম উল্লেখ করেনি রাশিয়া।
জাতিসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড বলেন, হামাসের নিন্দা করতে ব্যর্থ হয়ে রাশিয়া একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে আড়াল করছে। এটি আপত্তিজনক এবং অমার্জনীয়।
তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহ্যগতভাবে তার মিত্র ইসরাইলকে রক্ষা করে আসছে।

এদিকে মিশর-গাজা সীমান্তের রাফা ক্রসিংয়ে একদিকে জড়ো হয়েছে শিশু-নারীসহ হাজার হাজার ফিলিস্তিনি। অন্যদিকে জর্ডান এবং তুরস্কের পাঠানো মানবিক সহায়তা নিয়ে অপেক্ষা করছে সারি সারি ট্রাক। কিন্তু এখন পর্যন্ত খুলে দেয়া হয়নি এ সীমান্ত।
মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি বলেছেন, গাজার লাখো নিরীহ মানুষকে 'সমষ্টিগত শাস্তি' দিচ্ছে ইসরাইল। তবে যত দ্রুত সম্ভব সেখানে মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে কাজ করছে দেশটি।
গাজার অবরুদ্ধ মানুষের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা পৌঁছাতে এল আরিশের বিমানবন্দর খুলে দিয়েছে মিশর। জর্ডান, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো থেকে ত্রাণ সাহায্য জড়ো হচ্ছে সেখানে।
‘প্রিয় বন্ধু’র সাথে সাক্ষাৎ করতে চীনে পুতিন