ইসরাইলি বাহিনী গাজায় জল-স্থল-অন্তরীক্ষে একযোগে হামলা চালাতে যাচ্ছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী।
এ বিবৃতি প্রদানের মধ্য দিয়ে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী বোঝাতে চাইছে, স্থলপথে যে হামলার জোর প্রস্তুতি চলছে, সে অভিযান দীর্ঘ মেয়াদের এবং ব্যাপকতর হবে। খবর বিবিসি’র।
হামাস ইসরাইলের যে জায়গাটির পুনর্দখল নিয়েছিল তা উদ্ধার করা হয়েছে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।
ইসরাইল বলেছে, এখন ইসরাইলি বাহিনী ‘সর্বোচ্চ সতর্ক’ পরিস্থিতিতে রয়েছে। ভূমি, সাগর ও আকাশ পথে ‘সম্মিলিত হামলা’য় যুক্ত হতে ব্যাপক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘কার্যকরভাবে যাতে যুদ্ধ সরঞ্জামের সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়, সে লক্ষ্যে সকল প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।’
এর মানে, গাজায় ইসরাইলি সেনারা ঢোকার পর যেন সব যুদ্ধ সরঞ্জাম হাতের কাছে পায়, তার সরবরাহ বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, গত ৫০ বছরের ইতিহাসে এতটা ব্যাপক সামরিক আয়োজন আর করেনি ইসরাইল।
গত ৭ অক্টোবর ভোরে গাজা থেকে হামাস হঠাৎ করে উপর্যুপরি রকেট হামলা শুরু করলে হামাস-ইসরাইল পাল্টাপাল্টি সংঘাত শুরু হয়। এ পর্যন্ত ইসরাইলি হামলায় গাজার অন্তত দুই হাজার ২১৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আর হামাসের হামলায় ইসরাইলি নিহত হয়েছে এক হাজার ৩০০ জনেরও বেশি।
বিগত অন্তত ৫০ বছরের ইতিহাসে কোনো হামলায় এতো সংখ্যক ইসরাইলি নিহতের ঘটনা ঘটেনি।
গাজা-ইসরাইল যুদ্ধ: মৃতের সংখ্যা ৩৫০০ ছাড়ালো