গাজায় ইসরাইলি হামলার বিষয়ে যৌথ অবস্থান তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি তুরস্কে আনুষ্ঠানিক সফর করছেন। মঙ্গলবার রাইসি প্রথমবারের মতো তুরস্কে এ আনুষ্ঠানিক সফর শুরু করেছেন।
গাজা ও ইসরাইলের চলমান যুদ্ধে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান মুসলিম বিশ্বে ইসরাইলের অন্যতম কট্টর সমালোচক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি ইসরাইলকে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ এবং হামাসকে ‘স্বাধীনতাকামী গ্রুপ’ বলে বর্ণনা করেছেন। খবর আল-জাজিরা’র।
কিন্তু, মুসলিম ও আরব নেতৃবৃন্দের বৈঠকে গাজার হামলার বিষয়ে কী ধরনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেয়া হবে, সে বিষয়ে কোন ঐকমত্য তৈরি হয়নি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরাইলের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বন্ধে তুরস্কের ওপর চাপ তৈরি করবেন রাইসি।
ইস্তাম্বুলের সেন্টার ফর ইরানিয়ান স্টাডিজের পরিচালক হাক্কি উইঘুর বলেছেন, ইরান চায় তুরস্ক ইসরাইলের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বাণিজ্যিক যোগাযোগ বন্ধ করুক. এছাড়াও গাজার যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করবেন রাইসি।
এদিকে, রাইসির সাথে রোববার টেলিফোনে কথা বলার পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, ইসরাইলের নৃশংসতার বিরুদ্ধে একটি অভিন্ন অবস্থান তৈরির বিষয়ে তারা আলোচনা করবেন।
এছাড়া ইরান ও তুরস্ক অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী এবং স্থায়ী শান্তি অর্জন নিয়ে একযোগে কাজ করে যাবে বলেও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানিয়েছে।
আরও ৩৩ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল, হামাসের ১১ জিম্মির মুক্তি