ইসরাইলের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার মধ্যে স্পেন, আয়ারল্যান্ড ও নরওয়ে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, মঙ্গলবার স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকে ‘মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির একমাত্র পথ’ বলে বর্ণনা করেছেন।
তিন দেশই বলেছে, তাদের এই সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোকেও একই পথে হাঁটতে উদ্ধুদ্ধ করবে বলে তারা আশা করছে।
গাজায় সাত মাসের যুদ্ধের পর ইউরোপীয় দেশগুলোর এমন সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে ইসরাইল আরও একঘরে হয়ে পড়ছে বিশ্লেষকদের মত।
জাতিসংঘের ১৯৩ টির মধ্যে ১৪০ টিরও বেশি দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। স্পেন, আয়ারল্যান্ড ও নরওয়ে বলছে, তারা গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা গতিশীল করারও চেষ্টা নিয়েছে।
এই তিন দেশ ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা দেয়ার কথা জানালে আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে ও স্পেন থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেয় ইসরাইল।
স্পেন, আয়ারল্যান্ড এবং নরওয়ের পক্ষ থেকে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার ঘোষণা আসে গত সপ্তাহেই।
মঙ্গলবার আইরিশ সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই স্বীকৃতির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সরকার ফিলিস্তিনকে একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং ডাবলিন ও রামাল্লাহর মধ্যে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে তারা সম্মত হয়েছে।
রামাল্লাহ’য় আয়ারল্যান্ডের একটি পূর্ণ দূতাবাসের পাশাপাশি ফিলিস্তিনে আয়ারল্যান্ডের একজন রাষ্ট্রদূতও নিয়োগ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
আইরিশ প্রধানমন্ত্রী সাইমন হ্যারিস বলেছেন, ‘এই পদক্ষেপ শান্তির আশা বাঁচিয়ে রাখার জন্য।
এর আগে, ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় স্পেন ও নরওয়ে। মঙ্গলবার দুই দেশের পক্ষ থেকেই এ ঘোষণা আসে বলে জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেছেন, ন্যায়বিচারের দিকে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ এবং শান্তি অর্জনের একমাত্র পথ হিসেবে ফিলিস্তিনকে একটি রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে স্পেন।
